হারিয়ে যাওয়া শহর আজলান এর গল্প


পৃথিবীতে হারিয়ে যাওয়া বিভিন্ন সভ্যতা এবং তাদের জীবনযাপন ও শহর নিয়ে আছে নানা গল্প। ঠিক এ রকমই হারিয়ে যাওয়া এক শহর আজলান। আজলান শহরকে ঘিরেই গড়ে উঠেছিল অ্যাজটেক সভ্যতা। অ্যাজটেক সভ্যতাকে প্রাচীন আমেরিকার অন্যতম উন্নত সভ্যতা বলা হয়। মেক্সিকোর অ্যাজটেক জাতি গড়ে তুলেছিল এ সভ্যতা।

অ্যাজটেকরা কোথায় থেকে এলো তারও একটা গল্প রয়েছে। নাহুয়াল কিংবদন্তি মতে, চিতোমোজতক এলাকার সাতটি গুহায় বাস করতো সাতটি উপজাতি- আকোলহুয়া, চালকা, অ্যাজটেক, তেপানেকা, তেলহুইকা, তেলাক্সকালতেকা ও জোচিমিলিকা। কিন্তু এই সাত উপজাতির ভাষাই ছিল এক। তাই এই সাত জাতি এক হয়ে আজলেক জাতি গঠন করে আজলান দ্বীপে বসবাস শুরু করেছিল। তারা ১১০০-১৩০০ সাল পর্যন্ত আজলান দ্বীপে বসবাস করে।


আজলান শব্দের অর্থ উত্তরের ভূমি যেখান থেকে অ্যাজটেকরা এসেছে। কিছু কিছু রুপকথায় আজলানকে বলা হয় স্বর্গীয় শহর। অ্যাজটেকরা আজলান ছেড়ে একসময় মেক্সিকোর মূল ভূমিতে চলে গিয়েছিল। এর কারণ ছিল অভিজাত শ্রেণির অ্যাজটেকের চিকোমোজতকরা। দেবতা হুইটজিলোপোচতলি নির্দেশ দিয়েছিলেন চিকোমোজতকরা ছাড়া আর কেউ নিজেদের অ্যাজটেক দাবি করতে পারবে না। আর তাই আজলান থেকে প্রথমে তেনোচতিৎলানে চলে যায় অ্যাজটেকরা। সেটা ছিল ২৪ মে ১০৬৪।

আর সেদিন থেকেই অ্যাজটেক সভ্যতার প্রথম সূর্য বর্ষ গণনা করা হয়। দাবি করা হয়, সমুদ্রের তীরে একটি হ্রদ ঘেরা দ্বীপে গড়ে উঠেছিল অ্যাজটেকদের হারিয়ে যাওয়া শহর আজলান 
[তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট]