বিজ্ঞান সভ্যতাকে পৌঁছে দিয়েছে উন্নতির শিখরে



ভৌত বিশ্বের যা কিছু পর্যবেক্ষণ, পরীক্ষণ ও যাচাইযোগ্য তার সুশৃঙ্খল, নিয়মতান্ত্রিক গবেষণা ও সে গবেষণালব্ধ জ্ঞানভাণ্ডার হলো বিজ্ঞান। ল্যাটিন শব্দ 'Scientia' (জ্ঞান) থেকে Science তথা বিজ্ঞান শব্দটি এসেছে। বিজ্ঞানের ক্ষেত্র মূলত দুটি_প্রাকৃতিক বিজ্ঞান ও সামাজিক বিজ্ঞান। পদার্থবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, রসায়নসহ এ ধরনের সকল বিজ্ঞান প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত। আর মানুষের আচার- ব্যবহার ও সমাজ নিয়ে যে বিজ্ঞান তা সমাজবিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত।


বিজ্ঞানের সূচনা মানব জন্মের শুরু থেকেই। এভাবে প্রথম যে মানুষটি নিজের অজান্তেই পাথরে পাথরে ঘষে আগুন জ্বালিয়েছিল, সে জন্ম দেয় নব সভ্যতার। তারপর এক সময় সূচনা হলো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির। ষোড়শ ও সপ্তদশ শতাব্দীতে যখন বৈজ্ঞানিক বিপ্লবের সূচনা হয়, তখন মানুষ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির মাধ্যমে জ্ঞানের বিবর্তনকে পরিচালনা ও প্রত্যক্ষ করার যোগ্যতা অর্জন করলো।

পরবর্তীতে বেকন, ডেসকার্ট, নিউটন, লিবনিজ, চার্লস ডারউইন, জন হার্শেল, আইনস্টাইন প্রমুখ বিজ্ঞানীর হাত ধরে বিজ্ঞান সভ্যতাকে উন্নতির উচ্চ শিখরে পৌঁছে দেয়। বর্তমানে আধুনিক বিজ্ঞানের অনুগ্রহে চিকিৎসা, মহাকাশ, কম্পিউটার, তথ্যপ্রযুক্তি ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হচ্ছে।