কীভাবে এলো শূন্য

কীভাবে এলো শূন্য idea world bd


কীভাবে এলো শূন্য


শূন্য এমন একটি সংখ্যা যেটি আমদের প্রতিনিয়ত ব্যবহার করা হয়। কিন্তু আমরা সেটা লক্ষ্য করি না, বা করার চেষ্টা করি না। এটি এমন একটি সংখ্যা যে সংখ্যা আমাদের কাঁদাতেও পারে আবার হাঁসাতেও পারে। যেমনঃ আমরা যখন কষ্ট করে কোনো কাজ করে তার ফলাফল শূন্য দেখি তখন আমরা অনেক কষ্ট পায়। কিন্তু আমাদের কাছে যদি একাধিক পরিমাণ শূন্য(১০০০০০) যুক্ত টাকা  থাকে তাহলে আমরা অনেক আনন্দ বোধ করি। এই শূন্যকে নিয়ে অনেকের অনেক কৌতূহল রয়েছে। আজকের এই লেখায় শূন্য এর ইতিহাস সম্পর্কে তথ্য প্রদান করা হল।   

গণনার নিয়ম বের করা হয়েছিল সেই প্রাচীনকালেই। তবে সেটা প্রথম কে করেছিলেন, তার সুস্পষ্ট প্রমাণ মেলেনি। সেই ধারাবাহিকতায় সংখ্যা বোঝাতে গিয়েই মানুষ চিহ্ন তৈরি করেছে। আর সংখ্যাতাত্ত্বিক হিসাব-নিকাশ আরও সহজ করে দেওয়ার পেছনে আপাতদৃষ্টিতে মূল্যহীন সংখ্যা- শূন্যের অবদান। তবে এই শূন্য নিয়ে নানান মত।

একদল গবেষকের মতেশূন্য সংখ্যাটি উৎপত্তি হয়েছে মেসোপটেমীয় সভ্যতার সময়অন্য দল আবার তথ্য হাজির করেছেআজ থেকে প্রায় ৪ হাজার বছর আগে সুমেরীয়রা শূন্যের ব্যবহার করতোতবে বর্তমান সময়ে আমরা শূন্য বলতে যে চ্যাপ্টা আকৃতি দেখি, সেটির ব্যবহার শুরু হয়েছে তৃতীয় খ্রিস্টপূর্বাব্দে ব্যবলিনেসপ্তম শতাব্দীতে ভারতের ব্রহ্মদাস গুপ্তের হাতে শূন্য মূল্যহীন থেকে মূল্যবান হয়ে ওঠে। তিনিই প্রথম শূন্যেরও যে মান রয়েছে, তা সামনে নিয়ে আসেন। এরপর একে একে ভারত থেকে চীন হয়ে শূন্য পৌঁছে যায় আরবে। 

ইউরোপে প্রবেশ করতে শূন্যের লেগেছিল আরও কয়েক শতাব্দী! একাদশ শতাব্দীর কোনো এক সময়ে ইউরোপে শূন্যের ব্যবহার শুরু হয় ফিবোনিচ্চি সিরিজের উদ্ভাবক ইতালির গণিতজ্ঞ ফিবোনিচ্চি সংখ্যাতত্ত্বে শূন্যকে জনপ্রিয় করতে ব্যাপক অবদান রাখেন। 

[তথ্যসূত্রঃ কারেন্ট ওয়ার্ল্ড]


লেখাটি ভাল লাগলে আপনার প্রিয়জনদের সাথে শেয়ার করুন। এবং অবশ্যই আপনার মূল্যবান মন্তব্য দিতে ভুলবেন না।