ব্লগিং ও ইউটিউবিং | জেনে নিন কোনটি আপনার জন্য উপযুক্ত

Blogging & Youtubing bangla tutorial, blogging, youtubing guideline, bangla youtubing course
ব্লগিং ও ইউটিউবিং

বর্তমান সময়ে অনলাইনে নিজের ক্যারিয়ার গড়ার জনপ্রিয় দুটি মাধ্যম হলো ব্লগিং ও ইউটিউবিং। আমরা অনেকেই এ বিষয় দুটিতে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করি। অনেকে ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করে দিয়েছি আবার অনেকেই সঠিক গাইডলাইনের অভাবে এ কাজ গুলো থেকে সরে যাচ্ছে। আর তাই আজ আমরা আলোচনা করবো ব্লগিং ও ইউটিউবিং এর মধ্যে কোনটা আপনার জন্য উপযুক্ত হবে সে বিষয়ে একটি ধারণা দেওয়ার জন্য। আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়ার অনুরোধ রইলো, আশা করি একটু হলেও আপনার উপকারে আসবে।

ব্লগ ও ব্লগিং কি?

কোনো নির্দিষ্ট বিষয় বা দৈনন্দিন জীবনের কোনো ঘটনার উপর ধারাবাহিক ভাবে লেখালেখি করে সে গুলোকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকলের সাথে শেয়ার করাকে ব্লগিং (Blogging) বলা হয়। আর এই লেখাগুলো যে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয় সেগুলোকে ব্লগ বা ব্লগসাইট বলে। যারা ব্লগ সাইটে লেখালেখি করে তাদেরকে ব্লগার বলা হয়।

প্রত্যেকটি ব্লগ-ই কোনো না কোনো বিষয়ের উপর প্রতিষ্ঠিত। সাধারণত বেশিরভাগ ব্লগ-ই আর্টিকেল কন্টেন্ট অর্থাৎ লেখাভিত্তিক কন্টেন্ট পাবলিশ করে থাকে। তবে এর বাইরেও ফটোব্লগ, ভিডিও ব্লগ, আর্ট ব্লগ ইত্যাদি বিশেষভাবে জনপ্রিয়।

ইউটিউব ও ইউটিউবিং কি?

বর্তমান সময়ে বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং সাইট হলো ইউটিউব। গুগলের একটি জিমেইল অ্যাকাউন্ট থাকলে যে কেউ ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করতে সক্ষম। যারা ইউটিউব এ নিজেদের চ্যানেল তৈরি করে সেখানে নিয়মিত সবার সাথে ভিডিও কন্টেন্ট শেয়ার করে তাদেরকে ইউটিউবার বলা হয় এবং ইউটিউবে এই কাজগুলো করার প্রক্রিয়াকেই ইউটিউবিং বলে।

ব্লগ হোক কিংবা ইউটিউব আপনি যেটাতেই কাজ করেন না কেন নিম্নমানের কন্টেন্ট আপনাকে কখনোই ভালো ফলাফল এনে দিতে পারবে না। এই সব প্ল্যাটফর্মে টিকে থাকতে হলে ভিজিটরদের ভালো মানের কন্টেন্ট উপহার দিতে হবে। কন্টেন্ট হলো ব্লগ ও ইউটিউবের রাজা।

এবার জানা যাক ব্লগিং ও ইউটিউবিং এর মধ্যে কোনটি আপনার জন্য উপযুক্তঃ

ব্লগিং

এখন অনেকেই চান ব্লগিং করে অর্থ উপার্জন করবেন। অনেকেই সফলভাবে তাদের ব্লগিং ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে সক্ষম হয়, আবার অনেকেই অল্প কিছুদিনেই সরে পরে এই প্ল্যাটফর্ম থেকে। সরে পড়ার অবশ্যই নির্দিষ্ট কিছু কারণও রয়েছে। আপনি যদি সফলভাবে ব্লগিং করতে ইচ্ছুক হন তবে অবশ্যই আপনার মধ্যে কিছু গুণাবলি থাকা প্রয়োজন। যেগুলোর সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে আপনি অবশ্যই একজন সফল ব্লগার হতে পারবেন। 

তো চলুন দেখা যাক কি কি বিষয়গুলো ব্লগিং করার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

লেখালেখিতে দক্ষতা অর্জন
আপনার ব্লগকে আপডেট রাখতে নিয়মিত ব্লগে ভালো তথ্য সমৃদ্ধ কন্টেন্ট পাবলিশ করতে হবে। এজন্য সফলভাবে ব্লগিং করতে হলে এখন থেকেই লেখার মন মানসিকতা তৈরি করুন। নিয়মিত ইন্টারনেট-এ বিভিন্ন বিষয়ের আর্টিকেল পড়ুন ও নিজের মতো করে লেখার চেষ্টা করুন। আপনি যদি লেখালেখি উপভোগ করতে না পারেন তাহলে ব্লগিং করে ভালো কিছু করা সম্ভব নয়।

নতুন কিছু শেখার আগ্রহ
আপনি নিশ্চয় আপনার ব্লগের ভিজিটরদের প্রতিদিন একই টপিক দিয়ে বোরিং করতে চাইবেন না! কি তাইতো? যদি তা না চান তাহলে অবশ্যই নিয়মিত নিত্যনতুন বিষয় নিয়ে লেখালেখি করুন। এখন কথা হচ্ছে আপনি তো সব বিষয় সম্পর্কে জানেন না, তাহলে কি করে লিখবেন নতুন পোস্ট। সেজন্য আপনাকেও নিয়মিত নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করতে হবে। আপনার ব্লগ যে টপিকেই হোক না কেন, সেই টপিকের সব কিছু সম্পর্কে জানার চেষ্টা করুন ও সেগুলোকে নিজের মনের মাধুর্য দিয়ে আপনার লেখায় প্রকাশ করুন এবং আপনাকে অবশ্যই এই কাজ গুলোকে উপভোগ করতে হবে। যদি আপনি নিজেই বোরিং হয়ে যান তবে আপনার মধ্য থেকে ব্লগিং এর আগ্রহ চলে যাবে।

উপকারী মনোভাগ
আপনাকে আপনার ব্লগের ভিজিটরদের জন্য একজন উপকারী মানুষ হতে হবে। সেটা হবে আপনার লেখার মাধ্যমে। আপনি আপনার লেখার মাধ্যমে মানুষকে যত উপকৃত করতে পারবেন তারা তত আপনার লেখা পড়তে চাইবে ও আপনাকে তত বেশি বিশ্বাস করবে। আপনি সবসময় চেষ্টা করুন ভিজিটরদের বিভিন্ন সমস্যা গুলো সম্পর্কে অবগত হতে ও তাদের সেই সমস্যা গুলোর সমাধান দিতে। এর ফলে একটা সময় দেখবেন আপনার ব্লগের বিশাল পরিমাণ ফ্যান ফলোয়ার তৈরি হয়ে গেছে যারা নিয়মিত আপনার ব্লগ থেকে কিছু আশা করে।

এক লাফে তাল গাছের মাথায় ওঠার চেষ্টা
হয়তোবা বুঝতে পেরেছেন কি বলতে চাইছি! হ্যাঁ অর্থের কথায় বলছি। অর্থ আমাদের সবারই প্রয়োজন। কিন্তু বেশির ভাগ মানুষই চান খুব তাড়াতাড়ি অর্থ উপার্জন করতে। ব্লগিংয়ের ক্ষেত্রে কিন্তু এই কাজটি কঠিন। যদি ব্লগিং শুরু করার অল্প কিছুদনের মধ্যেই আপনি আপনার ব্লগে ভালো পরিমাণ ফ্যান ফলোয়ার তৈরি করতে পারেন তাহলে হয়তোবা সম্ভব হতে পারে। তবে একটা বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখবেন একবার হামাগুড়ি দিয়েই কেউ হাঁটতে শেখে না। এজন্য ব্লগিংয়ের ক্ষেত্রে আপনাকে যথেষ্ট ধৈর্য সহকারে কাজ করে যেতে হবে তাহলেই একটা সময় দেখবেন সাফল্য আপনার হাতে ধরা দিয়েছে।

নিজের কাজকে ভালোবাসুন
আপনি যে কাজই করেন না কেন, যদি আপনি সেই কাজকে ভালোবাসতে না পারেন তবে কখনোই সে কাজ থেকে ভালো কিছু আশা করতে পারবেন না। ব্লগিংয়ের ক্ষেত্রেও তা একই। আপনি যদি ব্লগিংকে উপভোগ করতে না পারেন তাহলে ব্লগিং থেকে ভালো কিছু পাওয়ার কথা ভুলে যান।

অন্যান্য কিছু বিষয়

উপরে আলোচিত বিষয় গুলো ছাড়াও সফল ভাবে ব্লগিং করতে হলে আপনাকে আরও কিছু বিষয় অবলম্বন করতে হবে। আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা ব্লগিং শুরু করার সময় কিছু কারণে পিছ পা হয়ে যায়। কারণ গুলো হলো ধৈর্যের অভাব, পরিশ্রমের ভয়, ব্যর্থ হওয়ার ভয় ইত্যাদি। আপনাকে মনে রাখতে হবে যদি আপনি ব্লগিং থেকে কিছু পেতে চান তাহলে আগে আপনার ব্লগের মাধ্যমে মানুষকে কিছু দিতে হবে। আর তা হলো কোয়ালিটি সমৃদ্ধ কন্টেন্ট। নিয়মিত নিজের জ্ঞানকে তথ্য প্রযুক্তির সাথে আপডেট রাখার চেষ্টা করুন এবং নির্ভয়ে ধৈর্য সহকারে কাজ করুন। অবশ্যই ভালো কিছু পাবেন।

আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কখনো অন্যের লেখা হুবুহু কপি করবেন না। অন্যের লেখা থেকে জ্ঞান নিয়ে নিজের মতো করে লিখুন এবং বেশি বেশি আর্টিকেল পড়ুন। তাহলে দেখবেন আপনা আপনি আপনার ভেতর থেকে লেখা বেড়িয়ে আসছে।

ইউটিউবিং

ব্লগিং এর পাশাপাশি বর্তমানে ইউটিউবিং ও বিশেষভাবে জনপ্রিয়। ঘরে বসে অর্থ উপার্জনের জন্য ইউটিউবিং এর চাহিদা ও জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আমাদের দেশেই অনেক ইউটিউবার রয়েছে যারা আজ ইউটিউব থেকে মাসে লাখ টাকা আয় করে। প্রতিদিনই নতুন নতুন অনেক ইউটিউবার তৈরি হচ্ছে, কিন্তু সবার পক্ষে সঠিক দক্ষতা ও জ্ঞানের অভাবে ইউটিউবে টিকে থাকা সম্ভব হচ্ছে না। এখন আমরা দেখবো ইউটিউবিং আপনার জন্য কতটা উপযুক্ত? এবং ইউটিউবে সফলভাবে টিকে থাকতে হলে কি কি বিষয় মাথায় রাখতে হবে।

ইউটিউবিং কি আপনার জন্য উপযুক্ত?
ইউটিউবিং আপনার জন্য কতটুকু উপযুক্ত তা বুঝতে হলে আগে আপনাকে ইউটিউব ও ইউটিউবের নিয়ম কানুন সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে হবে। যেমন রাষ্ট্রবিরোধী, ধর্মীয় কিংবা ব্যক্তিস্বার্থে আঘাত হানবে এমন কোনো ভিডিও ইউটিউব এ গ্রহন যোগ্য নয়। এছাড়াও অশ্লিল ও আপত্তিকর ভিডিও, অন্যের ভিডিও নিজের চ্যানেলে আপলোড করা ইত্যাদি ইউটিউব-এ গ্রহণযোগ্য নয়। যদি কেউ এই নিয়ম কানুন ভঙ্গ করে ভিডিও আপলোড করে তাহলে সে ইউটিউব থেকে অর্থ উপার্জনে ব্যর্থ হবে। এজন্য একজন ইউটিউবার হতে হলে আপনাকে ইউটিউব সম্পর্কে ভালো জ্ঞান রাখা জরুরী।

টপিক নির্ধারণ
ইউটিউবে কোন টপিকের ওপর কাজ করবেন সেটা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ আপনি যে টপিকে কাজ করতে যাবেন দেখবেন সে বিষয়ে আগে থেকেই অনেক চ্যানেল রয়েছে এবং তাদের সাবস্ক্রাইবার সংখ্যাও অনেক। কিন্তু তাই বলে কি আপনি কাজ করবেন না? অবশ্যই করবেন। তবে যারা আপনার বাছাই করা টপিকের উপর আগে থেকেই কাজ করছে তাদের থেকে একটু ভিন্নভাবে কিছু করার চেষ্টা করুন। মানুষকে ভালো কিছু দেয়ার চেষ্টা করুন এবং ধৈর্য সহকারে লেগে থাকুন। তাহলে সাফল্য আসবেই।

মন মানসিকতা প্রস্তুত করা
প্রত্যেকটি কাজের ক্ষেত্রেই সেই কাজের প্রতি ভালো মন মানসিকতা তৈরির প্রয়োজন রয়েছে। আপনার যদি ইউটিউবিং করতে ভালোই না লাগে তাহলে এইসব সেক্টর থেকে সরে পরাই ভালো। কারণ কাজের ক্ষেত্রে বিভিন্ন বাধা বিপত্তির সৃষ্টি হবে, সেগুলোকে পেরিয়ে কাজ করে যেতে পারলেই একটা সময় আপনি ইউটিউবিং করে সফল হতে পারবেন। এজন্য চাই কাজের প্রতি প্রবল মন মানসিকতা।

সাবস্ক্রাইবার
দুই একটা ভিডিও আপলোড করলেন আর হাজার হাজার সাবস্ক্রাইবার পেয়ে গেলেন, বিষয়টি কিন্তু মোটেও এমন নয়। ইউটিউব-এ টিকে থাকতে হলে অবশ্যই বিপুল প্রতিযোগিতার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। যে চ্যানেল এর সাবস্ক্রাইবার বেশি বুঝতে হবে সেই চ্যানেল এর ভিডিও গুলো মানুষকে বেশি আকৃষ্ট করে ও মানুষ সেখান থেকে ভালো কিছু পায় বলেই সেই চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে। আপনিও যদি নিয়মিত মানুষকে ভালো কন্টেন্ট উপহার দিতে পারেন তাহলে ধীরে ধীরে আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার সংখ্যাও বাড়তে থাকবে। কিন্তু এটা মোটেও ভাববেন না যে হাজার হাজার সাবস্ক্রাইবার পেয়ে গেলেন তো আপনার কাজ শেষ, কোনো মতেই বিষয়টি এমন না। আপনাকে রেগুলারলি কন্টেন্ট তৈরি করতে হবে ও কাজ করে যেতে হবে। সাফল্য কিন্তু এক দিনে আসে না।

বাড়তি কিছু টিপস

ব্লগিং ও ইউটিউবিং করতে নতুন নতুন আইডিয়া কোথায় পাবো?
আমাদের আশে পাশেই আইডিয়ার অভাব নেই। শুধু আমরা ঠিকভাবে লক্ষ্য করি না বলে দেখতে পায় না। আপনি কি মুভি দেখতে কিংবা বই পড়তে পছন্দ করেন? বা ভ্রমণ করতে কিংবা নতুন নতুন রান্না করতে? অথবা ফটোগ্রাফি করতে? আপনি কি শিক্ষক? বা হতে পারে আপনার স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার বিষয়ে ভালো জ্ঞান রয়েছে। আপনি যে কাজই করতে পছন্দ করেন না কেন সে বিষয়ে লেখা বা ভিডিও বানিয়ে আপনার ব্লগ কিংবা ইউটিউব চ্যানেল এ আপলোড করে দিন। এবং ইন্টারনেট এ আপনার পছন্দের বিষয়টি নিয়ে বেশি বেশি রিসার্স করুন। দেখুন অন্য ব্লগার বা ইউটিউবাররা কি করছে তাদের ব্লগ ও ইউটিউব চ্যানেলে। নিয়মিত আপনার টপিক নিয়ে গবেষণা, লেখালেখি, ওয়েব সারফিং, আর্টিকেল পড়া, ইউটিউবে আপনার টপিক রিলেটেড ভালো ভালো ভিডিও দেখা ইত্যাদির মাধ্যমে নিজেকে অ্যাক্টিভ রাখার চেষ্টা করতে হবে। তাহলে দেখবেন আইডিয়ার অভাব হচ্ছে না।

এতক্ষণ আপনার মূল্যবান সময় দিয়ে আর্টিকেলটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। আশা করি ব্লগিং ও ইউটিউবিং বিষয়ে আপনি কিছুটা হলেও নির্ধারণ করতে পেরেছেন আপনার জন্য কোনটা উপযুক্ত হবে। মূল কথা হলো সঠিকভাবে ধৈর্য ও একাগ্রতার সাথে কাজ করলে আপনি অবশ্যই সফল হবেন। আর্টিকেলটি কেমন লাগলো নিচে কমেন্ট করে জানান এবং আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে তাদেরকেও জানার সুযোগ করে দিন। 

এ ধরনের আরো বিষয়সহ বিজ্ঞান, টেকনোলজি, কি ও কিভাবে?, রিভিউ, লাইফস্টাইল, টিপস অ্যান্ড ট্রিকস্‌, মুভি আপডেট সহ আরো বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানতে নিয়মিত www.ideaworldbd.com সাইটটি ভিজিট করুন। 

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পর্কিত আপনার যেকোনো প্রশ্ন ও মতামত জানাতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিন অথবা আমাদের Contact Us পেজে জানাতে পারেন। আমাদের Facebook Page-এ লাইক দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ