অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরুর আগে এই বিষয় গুলো জেনে নিন

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং pdf অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কোর্স অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শিখতে চাই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং টিউটোরিয়াল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং আয় affiliate marketing affiliate marketing amazon affiliate marketing a to z affiliate marketing a-z guide for beginners আমাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং অ্যাফিলিয়েট মার্ক; অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং pdf অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কোর্স অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শিখতে চাই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং টিউটোরিয়াল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং আয় affiliate marketing affiliate marketing amazon affiliate marketing a to z affiliate marketing a-z guide for beginners আমাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং অ্যাফিলিয়েট মার্ক;

বর্তমান সময়ে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate Marketing) অনলাইনে উপার্জনের ক্ষেত্রে  খুবই শক্তিশালী একটি সেক্টর। এজন্য আমরা অনেকেই এখন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে জানার জন্য বিশেষভাবে আগ্রহী। আজ আমরা এই আর্টিকেলটিতে জানবো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মৌলিক কিছু বিষয়বস্তু সম্পর্কে যা পরবর্তীতে আমাদের অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কাজের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সহায়ক হবে।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি?

অনলাইনে এমন অনেক কোম্পানি রয়েছে যারা অ্যাফিলিয়েট পার্টনার নিয়ে থাকে। আপনি সেই সমস্ত কোম্পানিতে একজন অ্যাফিলিয়েট পার্টনার হিসেবে জয়েন করতে পারেন এবং সেই কোম্পানির প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিস আপনি প্রমোট (Promote) করে সেল করার মাধ্যমে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে উপার্জন করতে পারেন। আপনার মাধ্যমে যখনি কোনো একটি প্রোডাক্ট সেল হবে তখন প্রত্যেকটি সেল থেকে আপনি একটি কমিশন পাবেন। এটাকে বলা হয় অ্যাফিলিয়েট সেলস।

অর্থাৎ আপনি কোনো প্রোডাক্ট তৈরি করতে পারেন না অথবা আপনার কাছে কোনো প্রোডাক্ট নেই, কিন্তু অন্যান্য কোম্পানি আছে যাদের কাছে অনেক প্রোডাক্ট রয়েছে যেগুলোকে মানুষ প্রতিনিয়ত কিনছে। সে প্রোডাক্ট গুলোকে আপনি আপনার অডিয়েন্সের কাছে সেল করবেন এবং প্রতি সেলে আপনি একটি কমিশন পাবেন। মূলত একেই বলা হয় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য বিষয়বস্তু (নিশ) নির্ধারণ

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে কাজ করতে হলে অবশ্যই প্রথমে যে বিষয়টি লক্ষ্য রাখতে হবে তা হলো নিশ বা বিষয়বস্তু নির্ধারণ। আপনি যে প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করতে চান সেটি প্রথমে আপনাকে নির্ধারণ করতে হবে। মনে করুন আপনি কোনো ইলেকট্রনিক পণ্য নিয়ে কাজ করতে চান তাহলে প্রথমে সেই প্রোডাক্টটি নির্বাচন করুন।

তারপর সেই প্রোডাক্টটি নিয়ে একটু রিসার্চ করুন। যেমন আপনি যে প্রোডাক্টটি নির্বাচন করেছেন সেটি ক্রেতারা কেমন ব্যবহার করে, সেই প্রোডাক্ট এর প্রতি তাদের কতটা আগ্রহ রয়েছে ইত্যাদি বিষয়বস্তু।

অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম নিয়ে গবেষণা করুন

অনলাইনে অনেক ধরনের অ্যাফিলিয়েট নেটওয়ার্কে কাজ করা সম্ভব। তবে কাজ শুরুর পূর্বে কিছু বিষয় অবশ্যই জানা প্রয়োজন। যেমন প্রথম অবস্থাতে সহজেই কোন নেটওয়ার্কে কাজ পাওয়া সম্ভব, কোন ধরনের প্রোডাক্টের বিবরণী আপনি সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে পারবেন, কি ধরনের প্রোডাক্টের কমিশন বেশি, কোন ধরনের প্রোডাক্ট বেশি সেল হয়, বাংলাদেশ থেকে সেই অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে কাজ করার জন্য অ্যাকাউন্ট করা যায় কি না, কতদিন পর পর পেমেন্ট তোলা সম্ভব, বাংলাদেশ থেকে পেমেন্ট তোলা সম্ভব কি না ইত্যাদি বিষয়বস্তু সম্পর্কে ভালো ভাবে রিসার্চ করুন।

অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে জয়েন করা

আপনি যদি কোনো অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে যুক্ত হতে চান তাহলে প্রথমে সেই প্রোগ্রামের অনুমতি সাপেক্ষে সেখানে অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন। আপনি যে অ্যাফিলিয়েট নেটওয়ার্ক বা প্রোগ্রামে যুক্ত হতে চান প্রথমে তাদের শর্তাবলী সম্পর্কে জেনে নিন। বিভিন্ন অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামের বিভিন্ন রকম শর্তাবলী (Terms And Conditions) হয়ে থাকে।

অ্যাকাউন্ট তৈরি করার পর বিভিন্ন প্রোডাক্টের জন্য আলাদা আলাদা অ্যাফিলিয়েট লিংক তৈরি করতে হবে। তারপর সেই লিংককে আপনার ওয়েবসাইট, সোশ্যাল মিডিয়া ইত্যাদির মাধ্যমে প্রমোট করতে হবে। আপনার সেই অ্যাফিলিয়েট লিংকে গিয়ে যখন কোনো ক্রেতা সেই প্রোডাক্টটি কিনবে তখন আপনি একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পাবেন।

শুরুতে কয়টি অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে জয়েন করা উচিত?

আপনি ইচ্ছা করলে অনেক ধরনের অ্যাফিলিয়েট নেটওয়ার্কে কাজ করতে পারবেন। তবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর শুরুতেই এই কাজটি ভুলেও করবেন না। কারণ প্রথম অবস্থাতেই আপনি যদি বেশ কয়েকটি অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে কাজ শুরু করেন তাহলে কোনোটিতেই ভালোভাবে কিছু করতে পারবেন না। এজন্য প্রথমে দুই একটি অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে কাজ শুরু করুন। তারপর ধীরে ধীরে যখন আপনার দক্ষতা বাড়তে থাকবে তখন আপনি আরো অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে জয়েন করে কাজ করতে পারবেন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর ওয়েবসাইট তৈরি

 
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর শুরুতেই আপনার পক্ষে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা সম্ভব নাও হতে পারে। প্রথমের দিকে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আপনি প্রোডাক্ট প্রমোট করতে পারেন। তারপর ধীরে ধীরে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর উপর দক্ষতা বৃদ্ধি পেলে আপনার একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার প্রয়োজন হবে। ওয়েবসাইট তৈরির জন্য প্রথমে আপনাকে ডোমেইন নেম ও হোস্টিং কিনতে হবে। 

ওয়েবসাইটটিকে অবশ্যই আকর্ষণীয় ও প্রফেশনাল মানের করে তৈরি করতে হবে। আপনার যদি ওয়েবসাইট সম্পর্কে ধারণা কম থাকে তাহলে আপনি ইন্টারনেট থেকে দেখে নিতে পারেন কিভাবে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হয়। ওয়েবসাইট তৈরির জন্য ওয়ার্ডপ্রেস সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সহজ  একটি সিএমএস (CMS-Content Management System). ওয়ার্ডপ্রেসের মাধ্যমে আপনি সহজে খুব ভাল ও প্রফেশনাল মানের একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন। 

আকর্ষণীয় ও চমৎকার কন্টেন্ট তৈরি করা

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক এটি। আপনার কন্টেন্ট যত ভাল হবে আপনি ততো আপনার ক্রেতাদের কাছ থেকে সুনাম অর্জন করবেন এবং তাদের বিশ্বস্ততা অর্জন করতে সক্ষম হবেন। কন্টেন্টের মধ্যে ভাল মানের ছবি ব্যবহার করতে হবে। অ্যাফিলিয়েট লিংক তৈরি করে তা ছবি ও টেক্সটের মধ্যে যুক্ত করতে হবে। আপনি যখনই কোনো পণ্যের রিভিউ করবেন তখন সেটির ভাল খারাপ সব দিক ক্রেতাদের কাছে তুলে ধরতে হবে। এর ফলে আপনার কন্টেন্টের বিশ্বাসযোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা ক্রেতাদের কাছে বেড়ে যাবে। 

ভাল মানের কন্টেন্ট তৈরি করার জন্য আপনি আপনার মত অন্যান্য অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার দের কন্টেন্ট গুলো ফলো করতে পারেন। তারা কিভাবে ক্রেতাদের কাছে পণ্য উপস্থাপন করছে ইত্যাদি বিষয় যাচাই করার মাধ্যমে আপনার কন্টেন্টকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তুলুন। 

উপরিউক্ত বিষয় গুলো লক্ষ্য রেখে আপনি আপনার অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ক্যারিয়ার শুরু করে দিতে পারেন। পরবর্তীতে আমরা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্বন্ধীয় আরো চমৎকার আর্টিকেল নিয়ে হাজির হতে চলেছি। আইডিয়া ওয়ার্ল্ড বিডির সাথে থাকার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।  

এ ধরনের আরো বিষয়সহ বিজ্ঞান, টেকনোলজি, কি ও কিভাবে?, রিভিউ, লাইফস্টাইল, টিপস অ্যান্ড ট্রিকস্‌, মুভি আপডেট সহ আরো বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানতে নিয়মিত www.ideaworldbd.com সাইটটি ভিজিট করুন। 

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পর্কিত আপনার যেকোনো প্রশ্ন ও মতামত জানাতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিন অথবা আমাদের Contact Us পেজে জানাতে পারেন। আমাদের Facebook Page-এ লাইক দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ